আজ বলি
আমার জন্ম শহরের কথা
দেশ স্বাধীন হলো
সাল ১৯৪৭
আমার শহরের পত্তন
সাল ১৯৫০ !
আমার শহর বকলমে
রেল শহর
স্বাধীনতার পরবর্তীকালে
দেশে যে শিল্পোদ্যোগের প্লাবন আসে
তার অগ্রণী শরিক
আমার শহর
চিত্তরঞ্জন !
ভৌগলিক অবস্থানে আলোকপাত করা যাক
মানচিত্রে দেশ ভাগ হওয়ার পর
আমাদের অবস্থানটা হলো
তত্কালীন বাংলা ও বিহারের
কাঁটাতার তথা সীমান্তে !
পরবর্তীকালে যখন
ঝাড়খন্ড রাজ্য ঘোষিত হলো
সে হলো আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী !
এ গেলো মানচিত্রের
বৈষম্য
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে
আমার শহর অনন্যা !
ভূগোলের বই আর ইতিহাসের নথি মিলিয়ে বলা যায়
তদানীন্তন
সাঁওতাল পরগনার অন্তর্গত
আমার এই শহর !
সাঁওতাল পরগনার অন্তর্গত
আমার এই শহর !
তদুপরি
ছোটনাগপুর মালভূমি'র অংশ
ঠিক প্রান্তেই রয়েছে দামোদরের শাখা নদী অজয়
বর্ষা নির্ভর তাই শীতকালে তাতে হাঁটু জল !
এখানকার জনবসতি'র ঘনত্ব খুবই কম
প্রকৃতির অপার সৌজন্য শোভিত আমার শহর !
আবহাওয়া একপ্রকার চরমপন্থী বলা যায়
যেমন গ্রীষ্মের প্রখর উত্তাপ
তেমনি শীতের আমেজ !
শহরের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ভারতীয় রেলের
ঐতিহ্যময় ইতিহাস !
প্রসঙ্গত এখানে যে কারখানাটি
তা কেবল ভারত নয় সমগ্র এশিয়া'র বৃহত্তম !
অবশ্যই এটি ভারতের সব থেকে বড়
বৈদ্যুতিন ইঞ্জিন নির্মানের কেন্দ্র !
আমার গর্ব
আমার শহর
প্রাণ দিয়েছে এই মাটি !
ফিরে ফিরে আসা
ঋণ রিক্ত জীবন !-২৩.১২.২০১৫
ছোটনাগপুর মালভূমি'র অংশ
ঠিক প্রান্তেই রয়েছে দামোদরের শাখা নদী অজয়
বর্ষা নির্ভর তাই শীতকালে তাতে হাঁটু জল !
এখানকার জনবসতি'র ঘনত্ব খুবই কম
প্রকৃতির অপার সৌজন্য শোভিত আমার শহর !
আবহাওয়া একপ্রকার চরমপন্থী বলা যায়
যেমন গ্রীষ্মের প্রখর উত্তাপ
তেমনি শীতের আমেজ !
শহরের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ভারতীয় রেলের
ঐতিহ্যময় ইতিহাস !
প্রসঙ্গত এখানে যে কারখানাটি
তা কেবল ভারত নয় সমগ্র এশিয়া'র বৃহত্তম !
অবশ্যই এটি ভারতের সব থেকে বড়
বৈদ্যুতিন ইঞ্জিন নির্মানের কেন্দ্র !
আমার গর্ব
আমার শহর
প্রাণ দিয়েছে এই মাটি !
ফিরে ফিরে আসা
ঋণ রিক্ত জীবন !-২৩.১২.২০১৫
No comments:
Post a Comment