Sunday, September 27, 2015

আমার দার্শনিক হওয়া....

তুই সেই জীবন
মৃত্যু তে ইতি নয় যার !

আমার বিশ্বাস
স্বপ্ন থেকেই জীবনের শুরু
না বিজ্ঞানের বিতর্ক নয়
বিবেকের আহবান !
প্রথম সন্তান
সব মানুষের জীবনে পূর্ণতা আনে
শুরু হয় সংসার
একদিকে চাহিদা
অন্যদিকে অভাব !

চলছিলো বেশ
৪ জনের সংসারে এলো
এক অবাঞ্চিত নয়
তবে অপরিকল্পিত অতিথি !
সেসময় ঘরে এমনিতেই অভাব
কারণ ,বাবার বেপরোয়া জীবন যাপন !
মামাবাড়ি থেকে বহুবার বহুভাবে চেষ্টা
বাবা 'র মতি পরিবর্তন হয়নি !
সালটা ১৯৯৬;আমার দাদু দিল্লি এলো
সঙ্গে ছোট মামা
উদ্দেশ্য .....
মা কে ফিরিয়ে নেওয়া
দাদু চিরদিনই খুব একরোখা
কিন্তু মা মেনে নেয়নি !
কি করেই বা মেনে নেবে
কোন মেয়ে চায় তার সংসার ভেঙ্গে যাক ?

দাদু ফিরে গেলো
কিন্তু কোনকিছুই আর
আগের মতো হয়নি
যতদিন গেছে তত অশান্তি বেড়েছে
পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বাবা'র মদের আসক্তি
আয় শুন্য ব্যয়ের খাতে আমরা তখন দুই ভাই
স্কুলের ফিস দেওয়া হলো না
দাদা 'র স্কুল থেকে ডাক এলো
তিন মাসের ফিস দিউ
নাম কেটে দেওয়া হবে
হলো
এবার আমার পালা
সরকারী স্কুল সবে ক্লাস ৪
মাযের সাথে স্কুলে গেলাম
স্কুল কে বিদায় জানাতে !

যারা এরপরও আমার দার্শনিক
হওয়ায় অভিভূত
আমার সহানুভুতি
তাদের সাথে চিরতরে !

(ক্রমশ........
জীবনী - ২০)

-২৭.০৯.২০১৫

Friday, September 25, 2015

ভাইয়ের জন্ম ....

অতীতের দিকে তাকালে
ভবিষ্যত অনুমান করা যায় !
জীবন থেমে থাকে না
যা দাও তাই সে ফিরিয়ে দেয় !

জীবনী'র পাতায় আজ আমাদের পরিবারের
ছোট জনের কথা
আমার ছোট ভাই
সালটা ১৯৯৮;
দিনটা আজ থেকে ১৭ বছর আগে
ঠিক আজকের দিন'টা ২৪শে সেপ্টেম্বর !

আজও খুব ম্লান নয় স্মৃতি
সে কথা আজও ভুলিনি !
মায়ের ব্যথা উঠে গেছে
ঘড়িতে কম-বেশি রাত ৯টা
ব্যথা বাড়তে থাকে প্রায় রাত ১১টা
বাইরে তখন মসুলধারে বৃষ্টি !
বাবা কাছের এক ট্যাক্সিওয়ালা কে ডেকে
মা কে নিয়ে চলে যায় হাসপাতাল !
আমি আর দাদা তখনও রাতে একলা থাকিনি
আমাদেরই কাছের এক খ্রিস্টান ফ্যামিলি
তাদের বাড়িতেই সেদিন আমরা রাতে ছিলাম !
সেদিনই প্রথম আমার রাত জাগা
উপলব্ধি সম্পর্কের !
আমার আর দাদা'র বাজি ধরা
আমি চেয়েছিলাম বোন্
দাদা বলেছিলো ভাই
আমি হেরেছিলাম !
পরের দিন সকাল সকাল
সেই আন্টি 'র সাথে হাসপাতালে যাই
জীবনে প্রথম এত ছোট বাচ্চা দেখা
আমার ভাই;নিজের ভাই !

যে সময়ের কথা বলছি
সময়টা আমাদের পরিবারের ইতিহাসে
সবথেকে কঠিন সময় !

অনেক উত্থান পতন
পেরোনো এ জীবন
জন্ম সাক্ষী
মৃত্যুতে নিরুত্তর
এ জীবন !

(ক্রমশ .......
 জীবনী -১৯
-২৫.০৯.২০১৫   

Wednesday, September 23, 2015

মায়ের কথা .....

আমার মধ্যে আমি
তার'ই উপাখ্যান
আমার জীবনী !

আমাকে কাছ থেকে যারা জানে
তারা জানে আমি কোনকিছুতেই বিশেষ বিচলিত হইনা !
হয়তো  খুব কাছ থেকে বাস্তব কে দেখেছি
দেখছি বা  দেখি
অথবা
দেখা'র ভঙ্গি টাই নির্লিপ্ত
যে যার বিশ্বাসে বাঁচে
আমি বাঁচি অনন্তের সাধনায় !

আমি যখন ৮ বা ৯ একদিন মাকে
কাঁদতে দেখেছিলাম
আমার বুকে যে একটা হৃত্পিণ্ড আছে
সেই দিনই আমার জানা
আর তার যা যাবতীয় কাজকর্ম
সেই থেকে উদ্ভাবন শুরু !
জীবনে অজস্র প্রেমিকা এসেছে আমার
আমি কৃতজ্ঞ তাদের কাছে !
আমার বিশ্লেষণ
আমার অনুভব
আমার অভিজ্ঞান
সব তাদেরই দান !

তবে জীবনে প্রথম প্রেম
আমি মায়ের থেকেই শিখেছি
এখন বয়েস হয়েছে
জীবনের ঝঞ্ঝা সকলে অনেকটাই
বিলুপ্ত মায়ের নিজস্বতা !
হয়তো মানুষের জীবনের তাই নিয়ম
তবে ছোট থেকেই আমার মনে প্রেমের বীজ
নান্দনিকতার বিকাশ মায়ের হাত ধরে !
মায়ের ভালোলাগা গান আর সিনেমা
প্রসঙ্গত মায়ের গানের গলা অসাধারণ
নিজের মা বলে বলছি না
তবে কিছু মানুষ প্রকৃতি প্রদত্ত গুন নিয়ে জন্মায়
আমার হাতে লেখা
মায়ের গলায় গান !

তবে শুধু গান নয় ;ছবি আঁকতেও মায়ের
অসাধারণ দক্ষতা
অনিবার্য কারণবশতই গান আমিও গাই
ব্যক্তিগত পর্যায়ে
এমনকি আমার জীবনের সব থেকে বড় ভালো লাগা
বা ভালোবাসা সেটা গান
কবিতা'টা এসেছে অনেক পরে !
ছোট থেকেই খুব গান করার ইচ্ছা ছিল
একসময় রিয়ালিটি'র সৌজন্যে
সেই স্বপ্ন উড়ান পেয়েছিলো
তবে সময়ের স্রোতে সে স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেছে
তবে আজও আমার একলা সময় গান গাই
শোনাই তাদের যাদের মনে হয় নিজের থেকেও বেশি আপন !

স্ব্প্নেদের উড়ান
ডানা মেলবেই !
তাইতো আমি গাই জীবনের গান
সেই যে বাঁশুরিয়া
রাধিকা'রে করেছিলো আপন
যার প্রেমে বিবাগী মীরা
সময়ের হাতে নিয়ন্ত্রণ
রাধিকা নই যদি
না হয় হবো মীরা
তোমায় পেতে জীবন !

(ক্রমশ .........
জীবনী -১৮

-২৩.০৯.২০১৫                      

সম্পর্কের উত্থান ....২

অনেকটা সময় কেটে গেছে
জীবন এখন অনেক পরিনত
প্রায় আমায় জিজ্ঞেস করতো
এখন জানে সময় মৃত্যু আনে !

যে প্রসঙ্গে ছিলাম গতকাল
ব্যক্তিগত অনুসন্ধিত্সায় জেনেছি
বন্দ্যোপাধ্যায় উপাধি থেকে
অধুনা ব্যানার্জি'র কারণ !

একটু গভীরে গেলে বঙ্গ ভঙ্গের প্রাক্কালে
যে সব বাঙালি ইংরেজদের পক্ষ নেয়
তারা তদুনুযায়ী ব্যানার্জি বলে অভিহিত !
তবে সামাজিক সুত্রে এরা উচ্চবর্ণ
সন্দেহ নেই ;শিক্ষা দীক্ষা জ্ঞান চর্চা
সকল বিষয়েই অনেকের থেকে অনেকটা এগিয়ে !
তা সেই খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী
বা বলা যায়
অপেক্ষাকৃত বাংলার প্রকৃত সংস্কৃতি থেকে একটু বিছিন্ন
অথচ বাঙালি ও সম্ভ্রান্ত এক যোগসূত্র
যারা উত্স মুখ থেকে আমার সৃষ্টি !
যদিও আমার ব্যক্তিত্ব্-এ ক্ষেত্রবিশেষে
আমি ষোলআনা বাঙালি
আবার সময় সময় নিততান্তই প্রবাসী !

আপাতদৃষ্টি তে এই ছিল আমার পিতৃ পরিচয়
বিচার বিশ্লেষণ গবেষণা 'র অবকাশ সব সময়
ছিল -আছে -থাকবে !

মায়ের দিকে ফেরা যাক
আমার মা
বিয়ের আগে সুতপা দাস
পরবর্তীকালে অবধারিত পদবি পরিবর্তন !
আমার মধ্যে যে শিল্প চেতনা তার গুরুতর
অবদান প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে মায়ের !

ইতিহাসের হাতছানি ফেরানো যায়না
তাই ফিরে ফিরে আসা
প্রতিটিদিন এক নতুন চেতনা
প্রতিটিদিন এক অন্য জীবন !

ক্রমশ

২২.০৯.২০১৫

Monday, September 21, 2015

সম্পর্কের উত্থান ....

সময় বদলেছে
বদলেছে পরিসংখ্যান !
আমি ক্ষিদে নিয়ে বেড়েছি
তাই পরিচয় খুঁজি !

আবার আমার জন্ম হলো
নিঃশ্বাস চলছে
আলো মিশছে অন্ধকারে
আলেয়া দেখছি কেবল
কে বলতে পারে....
গুরু পূর্নিমায় জন্ম
ফিরিয়ে দেবো কবি গুরু !
সুপ্ত মনের বাসনা
একদিন সবাই জানবে
শিশু মাত্রেই
চাঁদ পেতে চায় !

জীবনী'র পাতায় এক দীর্ঘ বিরতি

আবার ফিরে এলাম
আজ একটু ঝালিয়ে নেওয়া যাক
সম্পর্কের উত্থান
কে আমি ?
পিতৃ পরিচয়
থেকে যদি শুরু করি
বাবা'র নাম সুব্রত ব্যানার্জী !
বাবা'রা তিন ভাই
বাবা ছোট
আমার ঠাকুরদা
ক্ষিতিমোহন ব্যানার্জী !
যতদুর শুনেছি
ঠাকুরদা ছিলেন
শিক্ষিত
অভিজাত
সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিত্ব্ !
তত্কালীন ভারতীয় রেলের
ক্লাস -১ অফিসার !

বাবা'র তরফে দেখা শোনা ও
পরবর্তীকালে আমার উদ্ভাবন
আমরা প্রকৃত বাঙালি নই
যদিও গোত্র পরিচয় শান্দিল্য !
তবুও বলি একটা ইংরেজ ঘেষা
ভাব আমি চিরদিন অনুভব করেছি !
বেপরোয়া বাঁচার নেশাটা
উত্তরাধিকারে বাবা'র থেকেই পাওয়া
আরও একটা পাওয়া তা হলো নিয়ম না মানা !
তবে নিয়ম না মানাটা আমি অন্যভাবে দেখি
কারও চোখে যা স্বেচ্ছাচারিতা
আমার চোখে তাই সৃষ্টি উল্লাস !

আমি জীবনের গান গাই
পরোয়া করিনা
মৃত্যু আমায় হাতছানি দেয় !

ক্রমশ.........

-২১.০৯.২০১৫
(জীবনী -১৬)

Saturday, September 12, 2015

কিছু কথা -কাব্য ,জীবন ,দর্শন ও ইতিহাস

ইতিহাসের অভিমুখ
পূর্ব নির্ধারিত
ধবংস করেছো যা
অমূল্য সে সব
ইতিহাস মনে করিয়ে দেয় !

মধুর স্বপ্নের বাসর এ জীবন
বাঁধ ভাঙ্গা আবেগের ফসল এ জীবন !
যেমন চলছে চলুক জীবন
এভাবেই চলে এটাই জীবন !

কিছু জীবন দর্শন হয়ে যায়
কি গান্ধী কি সুভাষ !
কিছু মৃত্যু মহাপ্রয়ান
কি স্মৃতি কি শৈশব !
ক্লান্তি জীবনেরও আসে
তফাৎ বার্ধক্য বা যৌবন !
ভুলেও শ্মশান মুখী হইনা
শ্মশান কালী আমি মানিনা !
আজকাল আমায় মৃত্যু ডাকে
নীরব-শীতল -শান্ত
মরণ
সাবলীল যেন ঝরনাধারা
স্বচ্ছ স্ফটিক !
আমি প্রত্যহ দেখি
আমার এগিয়ে যাওয়া !
নির্লিপ্ত -নিরুত্তাপ -অনুগত
অপূর্ব এক অনুভুতি ঘিরে থাকে !
উত্তাপ কমে আসে
নিঃশ্বাসের ঘনত্ব নয় আগের মতন
আর...........
শিথিল হয়ে আসে রক্তের স্রোত
দুর্বল স্নায়ু ;
পিছুটান থাকে না !

আমি দেখতে পাই
কত মানুষ !
শুনতে পাই হাহাকার
প্রিয়জন-পরিবার
জীবনও বাঁধা দেয় !
মুক্তি যেন কিছুতেই বাতাস পায়না
একবার ডানা মেলে
যেন অভিষ্ট প্রাপ্তি !
পরমুহুর্তে আবার হতাশা
ঝিরি ঝিরি বারিবর্ষণ
দিনের পর দিন সূর্য দেখিনা
চোখের কোনে কালি জমছে !

সবে পঁচিশ (২৫)
আমার আয়ু দিন গোনে না
আমার প্রতিটি নিঃশ্বাস
ইতিহাসের ঋণ !
আমার চুলে পাক ধরবে না
আমি জানি !
ইতিহাস চিরসবুজ
দার্শনিক মাত্রেই জানে !

জীবনের কথা বলি
মৃত্যু পথে চলি
যা কিছু ঋণ
আমি ফিরিয়ে দেবো !
শুধু
একটু সময়
চাই.................

(ক্রমশ :..........

১২.০৯.২০১৫

Thursday, September 10, 2015

ইতিহাসের প্রেক্ষাপট

প্রতিটি দিন ইতিহাস
প্রতি মুহুর্তের যত দীর্ঘশ্বাস !
চোখ মুছিয়ে দেয় ভালোবাসা
তুমি ভাবো বুঝি
মন কেমন করছে ..!
কিসের ঋণ
কার কাছে .....!
দিতে পারোই বা কি
ভুল ভাঙ্গতে দেরী হয় !
কেউ সমাধি কেউ চিতা
ঠিক তার আগে
কেউ বুদ্ধ
কেউ সীতা !
কবে খুলবে তৃতীয় চোখ
কবে ঘুম ভাঙ্গবে !!!

সত্যি কিছু মানুষের ঘুম কোনদিন
ভাঙ্গে না !
বাবা কে শুরু থেকেই
দেখেছি
সিগারেটের নেশা বিড়ি
শেষে মদ !
মা কম চেষ্টা করেনি
কিন্তু ছাড়লো না !
তারপর একদিন
সবাই একদিকে  
জন্ম নিলো লেখক !
সব ধ্বংসের মধ্যেই
সৃষ্টির বীজ লুকিয়ে থাকে
তথাপি
ভাঙ্গা সংসারের
ভাঙ্গা স্বপ্নের মাঝে
শিশু মনে অঙ্কুর আজ ডানা মেলেছে !
তবে আমি একা নই
এই জীবনের সাথে জড়িয়ে
আরও অনেকে
মা -ভাই -দাদা
দুই মামা -দাদু -দিদা !

সব ইতিহাসের একটা প্রেক্ষাপট থেকেই থাকে
আমার ও আছে !
সালটা ১৯৮৭;তারিখ ২৫শে নভেম্বর
সাত পাঁকে বাঁধা'র ঠুনকো সামাজিক আয়োজন !

এভাবেই যদি বাঁধা যেত
আমি বেঁধে দিতাম ইতিহাসের অভিমুখ
বেঁধে দিতাম পৃথিবীর কক্ষপথ
আমি আটকে দিতাম সময়
যাতে না হারাতে হতো শৈশব !
হারিয়েছি বলেই
জানি কতটা অমূল্য
সেকথাই বলবো
আমি আবারও লিখবো !

(ক্রমশ .......

১০.০৯.২০১৫

Tuesday, September 8, 2015

কিছু কথা খামে ভরা ....

কিছু কথা খামে ভরা
কিছু কথা খোলামেলা 
কিছু কথা চিঠি'র পাতায় 
তাই হয়তো সত্যি হয়না !

চিঠি-ডাক 
একসময় অপরিহার্য অঙ্গ ছিল 
আজ কেমন যেন অবাঞ্চিত মনে হয় !
মনে পরে ছোটবেলার কথা 
প্রচুর গেছি লেটার বাক্সে 
চিঠি ফেলতে 
আবার সময় সময় নিয়েও এসেছি !
শুরুতে যেখানে থাকতাম বাড়ির 
ঠিক পিছনেই ছিল বড় রাস্তা 
ধারেই লাল রঙের ভারতীয় পোস্টের 
স্মারক স্বরূপ লেটার বাক্স !
বেশ মজা লাগতো 
ভাবতাম এখানে ফেললাম চিঠি 
সেই চিঠি 
কোথায় কত দুরে মামাবাড়ি পৌঁছয় !
পরে নিজের চোখেই দেখেছি 
খাকি জামা -প্যান্ট পরা এক লোক 
তালা খুলে নিয়ে যায় 
বস্তা ভরে !

এই চিঠি'র সাথে জড়িয়ে প্রচুর স্মৃতি 
তখনও বাংলা লিখতে শিখিনি 
তাই ভাঙ্গা ভাঙ্গা ইংরেজি হিন্দি মিলিয়ে 
চিঠি'র উত্তর দিতাম !
খুঁজলে হয়তো আজও কিছু 
পাওয়া যাবে !
বাংলা পড়তে শেখাটাও এই চিঠির 
সুত্র ধরেই 
তবে শুধু চিঠি নয় 
দাদু-দীদা 'র সাথে কথা হতো ফোনেও 
রাত ১১টা 'র পর এস। টি। ডি-র কল রেট্ সস্তা 
সকাল ৬ টা অবধি !
রাতের খাওয়া সেরে তাই 
সবাই মিলে বাজারে যাওয়া হতো 
টেলিফোন বুথে !

কথা শেষ হওয়ার নয় 
তবুও কত কথা 
স্মৃতি যেন
শেষ না হওয়া সেই গল্প !
ফিরে আসি 
এখনো কত কথা বাকি 
নিজের কথা নিজেই বলে
অদ্ভুত এ জীবন !

(ক্রমশ .......

০৮.০৯.২০১৫ 

জীবনী থেকে....

আমাকে মারণ রোগে পেয়েছে
আমার আয়ু হার মেনেছে !
যন্ত্রনা অপ্রতিরোধ্য
একক মন আর কবিতা লেখে না !
হাতে গোনা একলা কবিতা 'রা
তাই দাবি তুলেছে !
অধিকারের দাবি অবাঞ্চিত নয়
অনেক ভাঙ্গা গড়া পেরিয়ে।
আজ এক মহাকাব্য লিখছি তাই
নাম দিয়েছি "জীবনী " ....

ফিরে  এলাম .....
অনতিদীর্ঘ এ যাত্রা।
তাই ফিরে আসি বারে-বারে
কি যেন না পাওয়া থেকে যায় !
আমি একা
পথ একা
চলা একা
শেষে বিদায় !

একটা ভাঙ্গা ঘর
আজও চোখে ভাসে।
আমি থেকে আমরা
আবার আমি একা !
হাতছানি দেয় শহর আমাকে
আমিও ফিরে তাকাই
পিচ্ রাস্তায় মরীচিকা দেখি !
সাত পাঁকে বাঁধা
তবুও কতো ঠুনকো !
এক থেকে দুই
দুই ভেঙ্গে পাঁচ !
তিন সন্তান মায়ের গর্ব
তবুও হারালি শাঁখা -সিঁদুর !
তাও আজ ১৬ বছর
তাদের কথা যারা সম্পর্ক বোঝে না।
নাকি তার কথা
যে কেবল সুখ খোঁজে !
কত ভাঙ্গতে পারো
আমি দেখবো !
"আশীষ "
অনেক বড় হতে হবে 
তোমার বুকেই আমি ইতিহাস লিখবো !

আমার স্বপ্ন গুঁড়িয়ে দিয়েছো
পারোনি ভাঙ্গতে আত্মবিশ্বাস!
তুচ্ছ যত দানে করেছো শোভিত
ভরসা দিয়েছো জেনো
আমিও পারি !

ক্ষণিক হতে পারি
ক্ষীন নই তবু।
হতে পারি উদাসীন
হীন নই তবু ......!!!

(ক্রমশ .........

০৭.০৯.২০১৫

Saturday, September 5, 2015

আমার জীবনী আজ থেকে শুরু হলো...

সব মানুষের জীবনেই
কিছু আদর্শ থেকে থাকে
আমারও আছে !
আর যেহেতু জীবনী লেখা'র
উদ্যোগ নিয়েছি
নিজেকে মেলে ধরা 'টা অনিবার্য
বোধ করছি !

সেই সুত্র ধরেই বলি
কবিতা ব্যাপারটা যখন
পাঠ্যসুচি'র আওতায় আসে
বা বলি পড়াটা আবশ্যক হয়ে পরে
প্রথম থেকেই
কাজী নজরুলের লেখা
আমাকে খুব ছুঁয়ে যায়
বিদ্রোহী কবি
দুখু মিঁয়া
জীবন যুদ্ধের একনিষ্ঠ যোদ্ধা
আবার প্রেমে পার্বন হৃদয়
"তুমি সুন্দর তাইতো চেয়ে থাকি "!
খুব ছুঁয়ে যায় চরিত্র'টা
কম্মুনিস্ম খুব ছোট থেকেই
রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে গেছিলো !
কেন,কিভাবে পরে বলবো
তারপর যেমন যেমন বড় হতে গেছি
বুঝেছি পুরুষের প্রতাপ
নারী'র কোমলতায় পূর্ণতা পায় !
খোঁজ পূর্ণ হলো যেদিন মুখোমুখি দেখলাম
তসলিমা নাসরিন কে।
বাবা মেনেছি নজরুল কে
এবার আমি মা কে পেলাম !
আমার পরিবারে কেউই খুব বেশি
আবেগপ্রবণ নয় সবটাই কমার্শিয়াল !
আমিও তাই কিন্তু ভিতরের শিল্পী
সে যে অর্থনীতি বোঝে না !

অগত্যা যুদ্ধ চলে আসছে
হিংসা বনাম ভালোবাসা !
ভালো -মন্দ দুই একই
মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ !
কোরান টা পড়ার বাসনা রয়ে গেছে
গীতা বাইবেল পরে ফেলেছি !
একটা প্রশ্ন থেকেই যায়
সত্যমেব জয়তে
তবে সত্য কে এতো বিকৃতি দাও কেন ?
আমার জীবনী আজ থেকে শুরু হলো
তোমরা যারা বিকৃতি দাও
সবাই কে আমন্ত্রণ রইলো
তলোয়ার নিয়ে আসো
বুলেটে করে দাও ঝাঁঝরা
কলম থামেনি
কলম থামেনা ............

ক্রমশ .........

০৬.০৯.২০১৫

কিছু কথা এলোমেলো .....

"আমি জানি
তোর্ দায় টা ইতিহাসের কাছে
সে ইতিহাস কেউ লিখেছিলো
এ ইতিহাস আমি লিখবো !"

আমার ছোটবেলায়
দিল্লিতে ছিলাম কম বেশি
প্রায় ৭ বছর
জুন ,১৯৯২-অগাস্ট ১৯৯৯।
আমি যে প্রেমিক ব্যক্তি
সেই পরিচয় টা আমার ছোট থেকেই
প্রকাশ পেয়েছিলো !
ছোটবেলা থেকেই আমি বাবা-মা
দুজনেরই খুব ন্যাওটা ছিলাম
যদিও বাবা 'র বেশি প্রিয় ছিলাম
অনিবার্য ভাবে !
বাবা আমাকে "বাপি " বলে ডাকতো
দাদা কে "পাঠি "
মাল টা ছিলো তাই .............=D
পুরো মেন্টাল কেস !
যদিও বাড়ির বড় ছেলে
আদর টা বেশি পেত
আরও একটা কারণ ছিল যদিও
সেটা ও'র গায়ের রং
দুধ ফর্সা তায় লাল আভা !
পাতি বাংলায়
যাকে বলি দুধে -আলতা !
আমি নাকি জন্ম থেকেই খুব কালো
তাই আমার ডাক নাম পরে "কাল্টু " !
সেটাই চলে আসছে যদিও :/
যাই হোক ,যে সময় আমি স্কুল যাওয়া
শুরু করিনি
সে সময়ের কথা
আমার দুরন্তপনা'র অন্যতম কাহন
সকালে বাবা অফিস -দাদা স্কুল
আমি ঘরে মায়ের সাথে
ঘরের সামনেই খোলা মেলা জায়গা ছিল
কাপড় ধুয়ে সেখানে শুকোতে যেত মা
সেখানে ছিল একটা মরা গাছের কান্ড
গুঁড়ি বলা যায় !
মাটি থেকে বেশ অনেকটা উঁচু
আমার খেলা ছিল ওতে চেপে !
এই গুঁড়ির কোটোরেই থাকতো ক'টা কাঠবিড়ালি
আমার খেলার সঙ্গী
রীতিমতো প্রতিযোগিতায় মেতে সেই গুঁড়ি-তে
ওঠা ও নামা এই ছিল আমার খেলা !
তবে শুধু এটুকুই না
বয়েস বাড়ার সাথে সাথেই
পাইপ ধরে উঁচু উঁচু বিল্ডিং -এ
চাপাটাও নেশায় দাঁড়িয়ে গেছিলো !

দিয়েছিস যত কেড়ে ছিস
আরও অনেক বেশি !
দেখ আমি ফিরে এসেছি
তোর্ বুকে ..........
তোদের মাঝে !!!

...............(ক্রমশ :.........০৫.০৯.২০১৫



Friday, September 4, 2015

ইতিহাসের অনেক বাকি এখনো ....

"নীরবে কাঁদিস
বুঝি তোর্ চোখ
কেউ মুছে দেয় না !
বড় শহরে অনেক আলো
শহর মানেই দেখতে ভালো !"

এমনি একটা ধারণা
যারা ছোট শহরে থাকে !
আর আমার জীবনের জ্ঞান চক্ষু উদয়
এই রাজধানী শহরে
তাই হয়তো
মায়াটা আমায় পায়নি !
অনেকেই দেখি বড় শহরে
এসে যেন নিজেকেই হারিয়ে ফেলে !
সেই দিক থেকে দেখলে
আমার ব্যাপারটা মিহির সেনের মতো
সেই যে বিশ্বজয়ী সাঁতারু  
পুকুরে ডুবে মারা যান !
যদিও  আমার স্বপ্নের উড়ান কে
ডানা দিতেই হয়তো
বিধি এই শহরের সাথে
আমার নিয়তি জুড়েছে !
দেশের রাজধানী শহর
কম-বেশি সকল দেশবাসী'র গর্ব
সকলেরই বাসনা
একবার নিজের চোখে এই শহরটা দেখে।
সেই পরিপ্রেক্ষিতে
আমি ভাগ্যবান বলতেই হয় !
ছুটি'র দিন মানেই ইন্ডিয়া গেটে
ফ্যামিলি পিকনিক ,ওয়াটার রাইড।
কুতুব্মিনার-লালকেল্লা -যন্তর মন্তর
চিড়িয়াঘর-রাষ্ট্রপতি ভবন -সংসদ
সুপ্রিম কোর্ট -বিড়লা মন্দির - কালী বাড়ি
মনে হয় সব ক'টাই বলে ফেললাম
ছোটবেলাতেই দেখেছি।
রোজই অফিস আসা-যাওয়া
আজ সময় পাইনা।
ছড়িয়ে থাকা ইতিহাস
মূল্যহীন বা অমূল্য !
বিখ্যাত কবি'র কথায়
সৌন্দর্য নাকি দর্শকের চোখে
তবে বলতেই হয়
সত্যি এক অমোঘ সৌন্দর্য
ঘিরে রয়েছে এই শহর কে !
কলকাতা'র সাথে আমার সম্পর্ক খুব মধুর নয়
সেই অর্থে এই শহর
অনেক দিয়েছে আমায়
অন্তত : আজ আমার লেখক জীবনীর
শুরুতেও সাক্ষী এই শহর।

একটাই কথা
জানিনা কবে শেষ হবে
তবে তুমি ছিলে
তুমি থাকবে !
তোমার ঋণ শোধ দেব
কিসের ঋণ
কেন ঋণ
বোলবো........
ইতিহাসের অনেক বাকি এখনো .........

(ক্রমশ :......

০৪.০৯.২০১৫

Thursday, September 3, 2015

প্রাথমিক শিক্ষা ...

আজ কিছু কথা
আমার কবিত্ব নিয়ে বলি !
ছোটবেলা তে সেভাবে যে ছড়া 
বা কবিতা'র প্রতি আগ্রহ ছিলো বলা যায় না !
এমনকি অনেক পরেও 
সেরকম কোনো অনুভুতি ছিল না 
কবিতার প্রতি অনুরাগ টা এলো প্রেমে পড়ে !
কিন্তু সেটাই যে একমাত্র কারণ 
বলা হয়তো ভুল 
শিল্পের প্রতি অনুরাগ টা রক্তে ছিল 
সন্দেহ নেই 
আর সেই সুত্র টা 
মায়ের থেকে পাওয়া !
মায়ের গানের গলা অসাধারণ 
ছোটবেলায় ঘুম না পেলে 
মায়ের কাছে আবদার করতাম 
আর মায়ের মুখে আমার সব থেকে প্রিয় গান 
অগত্যাই "আকাশ প্রদীপ জ্বলে "
অসাধারণ লাগতো 
বাংলা ভাষার মাধুর্য সম্পর্কে 
সেই প্রথম আমার চক্ষু উদয় !
আমার শৈশব জুড়ে ছিল 
গায়ক হওয়ার ইচ্ছা !
যদিও আমার শিশু অবস্থায় 
আমার প্রবণতা ছিল নায়ক হওয়ার !
প্রচুর সিনেমা দেখতাম সেই ছোট বয়েস থেকেই 
মনে আছে "হাম আপকে হ্যা কউন "."ক্রিমিনাল "
হলে দেখেছিলাম 
শেষ হলে সিনেমা 
"চাচি ৪২০"
আমি -দাদা -বাবা গেছিলাম !
ঘরেই টি ভি তে দেখেছিলাম 
"১৯৪২ এ লাভ স্টোরি " !
যদিও কিছু বুঝতাম কিনা সন্দেহ 
কিন্তু দেখতাম সবই !
ছোট বেলাতেই মা -বাবা দুজনেই 
পড়ার নেশা টা তৈরী করে দিয়েছিলো 
বাবা নিজেও ইংরেজি তে সাম্মানিক স্নাতক 
ইচ্ছা ছিল ছেলে'রাও যেন সেভাবে তৈরী হয় 
স্মার্ট,আপ টু ডেট ,সেল্ফ ডিপেন্ডেন্ট 
কিছুটা হলেও হয়েছি 
সৌজন্যে বাবা !
ঘুরতে বের হলেই নিয়ম ছিল 
বাবা কিছু ১টা বই কিনে দিত !
মহাভারত -রামায়ন পড়েছিলাম  
সৌজন্যে মা !
আমার প্রাথমিক শিক্ষা 
মায়ের কাছে !
মা আজও
একটা কথাই বার-বার মনে করিয়ে দেয় 
"জীবনে আর যাই করিস 
কারও দীর্ঘ শ্বাসের কারণ হোস না !"   
...................
ক্রমশ :
..........
০৩.০৯.২০১৫  

Wednesday, September 2, 2015

গতি জাড্য......

জীবনের কথা বলতে গিয়ে
কিছুটা তাত্ত্বিক হতেই হয় 
আর ,জীবন তত্বের কথায় 
গতি'র ভূমিকা অনিবার্য 
গতিময়তা জীবন 
স্থবিরতায় মৃত্যু !
আর অনিবার্য বা আকস্মিক ভাবেই 
গতি'র সাথে আমার বেশ অন্তরঙ্গ সম্পর্ক !
ছোটবেলায় খুব ছুটতাম 
কারণ ছিলো না 
ভালোবাসতাম ছুটতে 
আমাদের পাড়ায় সে সময় 
রোড রেস হতো 
উদ্যোক্তা লোকাল কমিটি 
কমিটি'র অন্যতম কর্তা ব্যক্তি 
আমার বাবা !
সেই সৌজন্যে 
পুরস্কার সকল আমাদের বাড়িতেই রাখা হতো !
জন্ম মুদ্রাও বলা যায় 
যেমন পড়াশোনায় তেমনি দৌড়ে 
আমি বরাবরই থার্ড হতাম !
আক্ষেপের কোনো কারণ ছিল না 
কারণ প্রতিযোগিতায় জয়-পরাজয় 
আমার কাছে চিরদিনই স্বাভাবিক ! 
সেই গতি সুত্র ধরে এগোতেই 
আমার ভালোবাসা জন্মায় 
ফুটবলের প্রতি।

যদিও দিল্লি তে ফুটবলের মাঠ চোখে পড়েনি 
খেলা বলতে গলি ক্রিকেট 
লুকো -চুরি ;ট্রাম্প কার্ড 
এসবই ছিল বেশি !
ঘরের ঠিক সামনেই ছিল 
আমাদের কলোনির গ্রিল দেওয়া পার্ক 
যদিও তাতে ঘরের দরজা জানলা রক্ষা পেত না !
মায়ের ছিল বাগান করার শখ 
প্রচুর ফুলের গাছ ,পাতা বাহার ছিল !
আবার মনে পড়ে 
একবার মা করলা'র বীজ ফেলেছিলো 
কি বিশাল সব করলা হয়েছিলো। 
বাঁদরের উপদ্রবও উল্লেখযোগ্য 
যদিও এটা
পুরোনো দিল্লি'র অনেক জায়গায় পাওয়া যায় !
যারা
"দিল্লি -৬" বা "বজরংগী ভাইজান "
দেখেছেন বুঝতে পারবেন !
প্রসঙ্গত ,
"জয় বজরং বলি "
প্রানবন্ত দিন সেসব 
আজ স্মৃতি সব আবছা 
তবুও লিখছি 
আবার'ও ভাবছি 
পুরোনো সেই দিনের কথা 
সে কি ভোলা যায়.......
__________
(ক্রমশ :)   

০২.০৯.২০১৫

Tuesday, September 1, 2015

জীবনের মূল্য............

যারা খুব কাছের
আমার ভোজন রসিকতা
সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল !
আর আমার পছন্দের তালিকায় শীর্ষস্থান
চিরদিনই মাংসের
মাছের প্রতি বিশেষ আকর্ষণ নেই
বলা যায় !
কারণ,স্বভাবতই
আমার ছোটবেলার অভ্যেস
তদুপরি ,কাঁটা দুর্যোগ।
আমার মা -মামা'দের
খুব কম দুর্যোগ পোহাতে হয়নি
আমাকে মাছ খাওয়াতে !
যদিও আজও আমি ততটাই উদাসীন
যতটা প্রথমদিন ছিলাম !
আমার ছোটবেলা থেকেই মাংসের
স্বাদ পেয়েছিলাম বাবার সৌজন্যে
রবিবার মানেই খাসির মাংস
বাবার হাত ধরে মাংসের দোকান
আমার মেটে ভালো লাগতো
বাবা তাই আলাদা করে মেটে নিতো
আমারই জন্যে !
মাংসটা বাবা নিজেই রান্না করতো
আর বলাই যায়
বাবা মায়ের তুলনায়
অনেক ভালো রাঁধতো
যদিও মা বলে
পানের আসক্তি তার মূল কারণ !
যাই হোক ,
পানের আসক্তি বাদ দিলে
বাবা 'র সাথে
আর কোনো সমস্যা ছিল না মায়ের !
তবে অনিবার্য কারণবশতই
জানিনা কেন
বাবা নিজেকে শেষ করে ফেললো !
সেই
এক ধ্বংস প্রবৃত্তি
আমিও আমার মধ্যে অনুভব করি !
বিজ্ঞানের ভাষায় জিনতত্ব
বলা যায়
জানিনা কেন
সময় কেমন যেন
একলা হতে বাধ্য করে দেয় !
অজানা
অদম্য
অজেয়
এ মাদকতা
প্রতিটি রন্ধ্র থেকে শুষে নেয়
জীবন'রস
পরে থাকে অসার দেহ !
ক্ষুদিত জীবন
জীবিত সময়
তবুও জানিনা কেন
জীবনের মূল্য দিতে পারেনা ।
........
(ক্রমশ :)
.............
০১.০৯.২০১৫