Friday, January 29, 2016

অন্য কবি

অনেকদিন ইন্টেলেকচুয়াল
আঁতলামো করিনা
বকলমে কবিতা লিখিনা
ছেড়ে গেছে নৌকা
পাল তোলা হয়নি !
আজ ও'র বিয়ে
ঠিক ভুল জানিনা
সাংকেতিক রূপক ধরে নিলাম
সকাল সকাল
ফোনে রাজকন্যে কাহন !
অন্যজন আমায় নারীবাদী হতে
উত্সাহিত করে গেলেন
তা এই সব মিলিয়ে যা দাঁড়ায়
জন্মে পুরুষ হলেও
কর্মে পুরুষ আজও
হয়ে উঠিনি !

সহবাসের সুখ
দিগন্তের মতই ফেনিল স্বপ্ন !
ভাঙ্গা ভাঙ্গা কলিজা'গুলো
কোলাজ হতে শেখেনি !
পৌরুষের সংজ্ঞা বুঝতে
পৌষ মাস -এ বিবস্ত্র কবি !
চোখে নীল্ বিষ বয়
তবু সম্পর্কের সম্মান রাখতে
নির্বাক মা -দিদি বা বোন্ !

কল্পনাপ্রবন তোমাদের ভুল
বাস্তবের থেকে আলোকবর্ষ দুরে
যারা জীবনের কল্পনা করে
সেই সব অসহায় মানুষদের নিয়ে
আমার জীবন !

প্রসঙ্গে ফিরি
শুভেচ্ছা রইলো আমার
আশীর্বাদ থাক সবার
চিরসুখী হোক বিবাহিত জীবন !

আজ অতীত কে বিদায়
আজ থেকে শুরু অন্য জন্ম
আজ থেকে আমি
অন্য কবি !!!-২৯.০১.২০১৬

(জীবনী -৪৪)

Tuesday, January 26, 2016

আমি যে আমি নই.....

মামাবাড়ি মানেই
দিশেহারা আনন্দ 
আমারও তাই ছিলো !
যতদিন সেটা ঘুরতে আসার জায়গা ছিলো 
কিন্তু সেই মামাবাড়ি'টাই
চোখের সামনে কেমন যেন বদলে গেল 
বোঝার অনেক আগেই !

বাস্তবের মুখোমুখি 
সেদিন থেকেই নিজের খোঁজ শুরু !
যদিও খোঁজ
তার হাতে খড়ি পেয়েছিলো 
অনেক আগেই !
তবে এ যেন তার 
সিলমোহর শুরু !

আমি কে ?
এই একটা প্রশ্ন 
ভাবিয়ে চলেছে সেই জ্ঞান উদয় হওয়া থেকে !
অনেক জ্ঞানের বই পড়েও 
যার উত্তর পাওয়া যায়না !
হয়তো গোটা পৃথিবী ঘোরা হলেও 
সম্ভব নয় !

যারা বিশ্বাস ভাঙ্গে 
সম্পর্কের অসম্মান যারা করে 
তাদের কে মনুষত্বের অবমাননা ছাড়া 
আর কোনো গণনায় আনা যায় 
জানা নেই আমার !

আমার জীবন এমনি কিছু মানুষে সমৃদ্ধ 
তবে শুধু তারাই নয় 
এ মাটির পৃথিবীতে দেবতা'র মূর্তিও
সাক্ষাতে পেয়েছি !
দেব রুপী  যিশু
ও দানব রুপী খ্রিস্ট 
দুইয়ের সমাহার তাই আমার মাঝে !
যতটাই আমি শীতল,নীরব,নিরীহ 
ক্ষেত্র বিশেষে নিষ্ঠুরতার সীমা সীমাহীন !
 আমি যে আমি নই 
আমার খোঁজে আমি 
আমার মধ্যে আকাশ নদী 
তাদের মাঝে আমি ! - ২৬.০১.২০১৬

(জীবনী -৪৩)

Sunday, January 24, 2016

সময়ের অভিজ্ঞান

সালটা ১৯৯৯
দিনটা ৫'ই আগস্ট 
অভিনয় শেষে বাস্তবের মুখোমুখি 
ক'টা জীবন !

যারা যুদ্ধ করে 
তারা হারতে শেখেনি 
আমার পূর্বপুরুষের ইতিহাস সেরকমই !
তারা যে যেমনি হোক 
সামাজিক প্রতিষ্ঠান -কে 
মান্য করেই চলেছে !
সেই অচলায়াতন-এর প্রাচীরে 
এই প্রথম ফাটল ধরলো !

মা শেষ মেষ বাবা'র থেকে দুরে 
আমাদের নিয়ে আমাদের মামাবাড়ি !
ক্লাস থ্রি শেষ করে আমি সবে ক্লাস ফোর 
দাদা আমার থেকে এক বছরের বড় 
ভাই তখন হাতে গোনা 
১০ মাসের জীবন !

আজ যখন পিছন ফিরে তাকাই 
অবাক হতেই হয় 
সেই মায়ের দুঃসাহস কে
কারণ মা সেদিন যা করেছিলো 
সেটা মা বলেই সম্ভব !

সম্পর্কের উত্থান পতন 
কেউ কাছে কেউ দুরে !
কিন্তু 
অস্তিত্ব্যের সেই সংকট দিনে 
যে হাত ধরেছিলো 
সে মা !
আমাকে কাছ থেকে জানা'র চেষ্টা করেছে ,
করছে বা করবে 
তাদের এই পরিপ্রেক্ষিতে 
বলতে ইচ্ছা করে 
আমায় ভুল বুঝোনা 
আমি কাউকে ঘৃনা করিনা !
বিচারক আমি নই 
সময় 
আর আমার অভিজ্ঞান 
আমাকে সময় দিয়েছে !
তাই আমার কাছে মা 'ই সব 
পিতা'র প্রয়োজন এক সময় বোধ হতো 
কালক্রমে এখন আর হয়না !

আমি ভালো আছি 
তুমিও ভালো থেকো 
ভালো থেকো তোমরা !-২৪.০১.২০১৬

(জীবনী-৪২) 

Saturday, January 23, 2016

স্মৃতি জুড়ে সুপ্রভা ........

সুখ দুঃখ নিয়ে মানুষের জীবন
সব থেকে কঠিন লড়াই
নিজের আবেগের কাছে
প্রতিপন্ন পরাজয় !
মানুষ ভুল বোঝে
বোঝাটাই দস্তুর
ঠিক বুঝতে গেলে
ঠিক হতে হয়
আপোস করতে করতে
মানুষ ভুলে যায়
সে মানুষ ;ঈশ্বর নয় !
তারপর অনিবার্য ক্ষয়
নিয়ম বেয়ে
শীতল মৃত্যু !

আজ আমার জীবনী 'র কেন্দ্রে দীদা
আমার দিদিমা তথা মায়ের মা
একজন প্রকৃত
নিষ্ঠাবান স্ত্রী
স্নেহশীলা জননী
নিপুন গৃহিনী
তদুপুরি
অমর শিল্পী !

মৃত্যু নশ্বরতার ধ্বজাধারী
স্মৃতি অমরত্বের অবকাশ রাখে !
আমি এমনি একজন গুনগ্রাহী
মানুষ নয়
তার মধ্যেকার ঐশ্বরিক প্রকাশ
তার শিল্প কর্ম
যার উদ্দেশ্যে এ লেখা
কেননা তারই কিছু লেখা
তাকেই ফিরিয়ে দেওয়া.......

আমার জন্ম সাক্ষী
তার এই দুটি সৃষ্টি কর্ম !

"যতনে রোপিনু যে কুসুম তরু
আমারে দিল না ছায়া
খর রবিকর শুধুই জীবনে
দেখালো মরিচি মায়া
ডালে ডালে তার ফুটিয়াছে কলি
তারা কি দেবেনা গন্ধ
একটি দুয়ার রবে নাকি খোলা
সব দ্বার হলে বন্ধ !"  - সুপ্রভা দাস

"এ ক্ষুদ্র হৃদয় মাঝে
অনন্ত পিপাসা
মিটে নাই মিটিল না
মিটিবে না আশা !" - সুপ্রভা দাস

তোমাকে জানাই প্রনাম !-২৩.০১.২০১৬

প্রসঙ্গত আজ তার মৃত্যুদিন :-২৩.০১.২০০০

Thursday, January 21, 2016

"আমি " মূলক

অচেনা
তবুও জানতে চাই 
শেষ নেই জানা'র 
তাই বোঝা'র আপ্রাণ চেষ্টা !

ক্ষুদ্র বুক ও তার তেষ্টা 

আমি চাই 
জীবনী হোক "আমি" কেন্দ্রিক !
কেন কারও ব্যক্তিগত'র সাথে 
নিজের সীমিত সীমা -কে মেশাবো !

সীমা 
তাই সে সীমিত
আমিও তাই 
জীবন -কে বাঁধার বৃথা চেষ্টা !
জানি ধরা সে দেবে না 
তবুও বৃথা আশা'র আমৃত্যু 
অপমৃত্যু !

নির্জীবের মতো 
মৃত্যুহীন 
তবুও কতো স্বপ্ন !

বর্ণহীন ক্যানভাস 
রং দিতে গেলে 
শিরায় উপশিরায় 
কেমন যেন শীতল স্রোত !
মেরুকরণ 
চলে আসছে 
এভাবেই চলবে 
তাই আশা
আমার জীবনী 
যেন হয় 
"আমি " মূলক !-২১.০১.২০১৬

(জীবনী -৪০)

Wednesday, January 20, 2016

স্বাধীন মনন

কবিতা মানেই বসন্ত
(অন্যের ধারনায় )

কিন্তু আমার কবিতা
জীবন লেখে
কখনও কলমে কখনও
বকলমে !

ইচ্ছে উপায় পায়না
মন তখন আকাশ খুঁজে নেয় !
আমার আকাশ
আমার কলমে
সেই ছোট বেলা থেকেই
সব কিছু ধরে রাখার ব্যর্থ অভিপ্রায়
আজ আমাকে লেখক করে তুলেছে !

যখন ছোট ছিলাম
ভাবতাম ,
কিভাবে একটা মানুষ বড় হতে পারে
ইচ্ছে ছিলো
যেন আমি চিরদিন ছোট'ই থেকে যাই !
থেকেই গেছি
উদ্ভট
কিছু করার সুপ্ত বাসনা
অথবা
অজানা কে জানা
বা
অজেয় কে জয় করা
নিয়ম ভাঙাই দস্তুর
আমার জীবনের একমাত্র ধ্রুব সত্য !

সেই সত্যের পথে চলতে গিয়ে
মূল্য দিতে হয়
সম্পর্ক-সময়-স্বাধীনতা
পেতে গেলে হারাতে হয় !

ব্যক্তি স্বাধীনতা
আমার কাছে
স্বাধীন মনন
মুক্ত চিন্তা'র অবকাশ যেখানে
সৃষ্টি সেখানে অফুরান ! -২০.০১.২০১৬

(জীবনী - ৩৯ )

Sunday, January 17, 2016

ভোজন রসিক

রক্তের ইতিহাস লেখা
এ এক অন্য অনুভূতি
ভাবনা'রা কাল বিলম্ব করেনা
চোখ জল
মন আকাশ !

জীবনী'র পাতা
নিজের চোখে নিজেকে দেখা
ভুল ত্রুটি থাকবে
মানুষ অমর নয়
নয় তার ত্রুটি
সময় সাজিয়ে নেবে
মানিয়ে নেবে আপোসে !

আজ কিছু কথা
আমার সব থেকে
বড় দুর্বলতা নিয়ে !
সব মানুষের দুর্বলতা থেকে থাকে
আমারও আছে !
আমি খেতে খুব ভালোবাসি
এক কথায় ভোজন রসিক !
ধর্ম-কর্ম আমার নয়
মন্দ হতো না যদি মুসলিম হতাম !
অন্তত যারা আমার খাদ্যাভ্যাস
সম্পর্কে অবহিত তারা জানেন !
জন্মে বাঙালি
তদুপরি জেতে ব্রাহ্মন
প্রসঙ্গত আমি পৈতা ধারী নই !

শাক-সবজি একরকম ছুইনা
বলা যায়
হাড় গুড়ো করেই খাই ! 
যখন ছোট ছিলাম 
ঝামেলা পাকাতো মাছের কাঁটা 
একেই বিস্বাদ (তখন মনে হতো ) !
তায় কাঁটা উপদ্রব 
মিলেমিশে একাকার দুর্ভোগ !
তবে শুধু মাছ নয়
আমার বয়কট তালিকায়
আরও বেশ কিছু খাদ্য দ্রব্য
নথিভুক্ত ছিলো !

সময় বয়ে চলে
স্রোত মেশে মোহনায়
জীবন মাঝি'র বৈঠা
তুই কার ;কে তর !-১৭.০১.২০১৬


Friday, January 8, 2016

গেরুয়া

গেরুয়া -
আমার মনসকন্যা ;তবে প্রথম নয় দ্বিতীয় !আমার প্রথম কন্যা সম্পুর্ণা ,জন্ম সাল ২০১৩।আমার প্রথম স্ত্রীর সাথে আমার মিলন। কোনো সৃষ্টি অবান্তর নয় কারণ থেকে থাকে ;ওদের নামকরণের মূলেও তাই !সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা পায়নি তাই আমি একা !সদ্যই গেরুয়া'র মা আমায় ছেড়ে গেলেন প্রতিষ্ঠানের বাইরে গড়ে ওঠা সম্পর্ক পূর্ণতা পেতে নেই !পরিচয় চেয়েছিলাম ;আমি যে পুরুষ প্রকৃতির দাসানুদাস। মনে পড়ে বাবা'র কথা ,বাবাও সেদিন এতোটাই দুর্বল ছিলেন আমরা ফিরে তাকাইনি চলে এসেছিলাম ফেলে। বুঝিনি সেদিন ,একদিন সে গ্লানি আমাদেরও গ্রাস করবে; গ্রাস করবে তার তিন সন্তানের মধ্যে তার প্রিয় সন্তান-কে !

আজ এভাবেই ,পুরোনো দিনের কথা সব মনে আসছে যেন একটা খোলা আকাশের নিচে ধু-ধু প্রান্তর তারই মাঝে আমি একা। ওরা আমায় ছেড়ে গেলো জীবনের স্বার্থে মেনে নিয়েছি ব্যক্তি স্বাধীনতা অপরিহার্য !কিন্তু,এ সৃষ্টির সত্ত্ব কে নেবে ?পুনর্জন্মের দোহাই এ জন্মে না হয় অন্য কোথাও ;অন্য কোনোওখানে ,নাকি সত্যই এ বিধি'র বিধান ; একক পিতৃত্বই কী  ভবিতব্য ?সম্পর্কের সন্ধানে আর কতোদিন ? সময়ের সঞ্চয় বা কতটুকু ? ঠিক কোন উপাদান কি মাত্রায় হলে একটা সংসার গড়ে ওঠে ?

এমনই ,অজস্র প্রশ্ন আজ মনের আকাশ জুড়ে !,যন্ত্রণাবিদীর্ণ নিরুপায় শুধু ওদের মুখ চেয়ে আছি !কি উত্তর দেবো ;নাকি একদিন বাবা 'র মতোই হবো ; নিরুত্তাপ -নিরুদ্বেগ -নিশ্চল ,তার প্রিয় সন্তান ছিলাম যে ! জানিনা কিভাবে সদ্যজাত গেরুয়া -কে বড়ো করবো ;সম্পুর্ণা কালচক্রে তিনের দোরগোড়ায় ,গেরুয়া হতভাগী জন্মে মাত্র মা হারালো !-০৭.০১.২০১৬

Tuesday, January 5, 2016

বাংলা শেখা

ক্লান্তির জীবনে শ্রান্ত জীবন
বাঁধা গতে
তাও কিনা একটা জীবন !

এভাবেই দেখি আমি
ঠিক বা ভুল !

অনেক কাঠ খড় পুড়িয়ে 
শেষ মেষ বাংলা শেখা হলো !
যদিও আদৌ কতটা শিখলাম 
প্রশ্নটা থেকে যায় 
বা বলি হাতে খড়ি 
সারা হয়েছে এতদিনে !
বেশ ইতিহাস -ভূগোল -অঙ্ক -বিজ্ঞান 
সব মিলিয়ে বাংলা শেখা 'র সীমা 
একদিন এসে দাড়ালো
আনন্দ বাজার পত্রিকায় !
একটা ঘটনার কথা এখানে বলা যায় 
আমার দাদা চিরদিনই 
শিষ্টাচারের মূর্তি !
সেদিন রবিবার 
খবরের কাগজটা সবে দিয়ে গেছে 
ছোট মামা দাদা কে ডাকলো 
আমিও যেমন নতুন শিখেছি 
দাদাও তাই !
তা মামা দাদা কে জিগেস করে 
"রবিবাসরীয়" লেখাটা উচ্চারণ করতে !
লেখাটা বেশ শিল্প সমৃদ্ধ 
অবধারিত ভাবেই দাদা পারলো না উচ্চারণ টা !
শিক্ষা ব্যবস্থার এহেন পুকুর চুরি 
উত্তম মধ্যম বর্ষণ !
আমি ততক্ষণে তটস্থ 
সঙ্গে সঙ্গে গতকালের "পত্রিকা "
লেখার পাঠ উদ্ধারে সক্ষম হয়ে 
নিজেকে বেশ দিগ্বিজয়ী অনুভব হলো !
যদিও সেদিন আমাকে অপ্রস্তুতে পড়তে হয়নি 
তবে এমন অনেক ছোট খাটো ঘটনার সমাহার 
আমার ছেলেবেলা !

টুকরো টুকরো কথা 
ভাঙ্গা ভাঙ্গা স্মৃতি !
"পুরোনো সেই দিনের কথা 
সে কি ভোলা যায় !" -০৫.০১.২০১৬

Sunday, January 3, 2016

পিছুটান

পিছুটান অনেক
তবুও এগিয়ে যাওয়া 
এটাই জীবন !

পিছুটান 
আছে, ছিলো .থাকবে
বুক পেতে দিলেও 
চোখ বেয়ে জল নামে 
নিরুপায় পথ চলা 
একদিন অনিবার্য বিদায় 
পুনর্জন্মে বিশ্বাস রাখলে 
আবারও ফিরে আসা 
অবশ্যই তা চির অবারিত দুয়ার !

আমাদের দিল্লি ছাড়ার পর 
অন্য সব দুর্যোগের 
মাঝেও বিভীষিকা ছিলো 
আমার কাছে বাংলা শেখা !
অবাক হবেন হয়তো 
তবে এটা সত্যি !
আমার বাংলা শেখা'র শুরু 
সাল ১৯৯৯
জন্মের পর দশ বছর কাটিয়েছে 
বেশ হিন্দি ইংরেজি মিলিয়ে !
কোত্থেকে এসে জুটলো আপদ 
"বাংলা "!
ফাকিবাজ আমি বরাবর 
তারপর বন্য পাখি 
খাচায় বন্দী !
ঘরের সকলেই যখন 
হাল ছেড়ে দিয়েছে
শেষ মেষ দীদা আমায় নিয়ে বসলেন !
কিন্তু ,ক্ষ্যাপা কে বোঝায় কে 
শেষ মেষ ছোট মামা 'র হস্তক্ষেপ 
"যেমন বুনো ওল তেমনি বাঘা তেতুল " 
"ধর তক্তা মার পেরেক "
চললো বাংলা শেখা 
তবে শুধু শেখা নয় 
অতি শীগ্রই আমার শিক্ষা ফলপ্রসু হলো 
যখন আমি ক্লাস ৫-এ প্রথম বাংলা মাধ্যমে 
পড়া শুরু করলাম !
বলতে দ্বিধা নেই 
সবাই কে অবাক করে অন্তত 
বাংলায় আমি ছিলাম 
অদ্বিতীয় প্রতিদ্বন্দী তথাকথিত 
স্থানাধিকারীদের কাছে !

ফিরে ফিরে আসা 
কক্ষপথ বাঁধা !
তবুও একদিন অচিন পাখি 
পাবেই তার আকাশ । - ০৩.০১.২০১৬

(জীবনী - ৩৫)