বিন্দু'র মাঝে সিন্ধু
আমার কাছে জীবন অনেকাংশে তাই
জীবন বলতেই মনে আসে
বন্ধনের কথা
যদিও নাড়ি ছিড়ে বেরিয়ে আসা জীবনের
বন্ধনের মোহপাশ তাৎপর্যহীন !
তবুও সারা জীবন আমরা
বন্ধনের পরশপাথর খুঁজে মরি !
আমার জীবনেও বন্ধনের সমাহার অনেক
অন্য অনেক জীবনের মতন
তফাৎ তাদের মূল্যায়নে
খুব জটিল-কে খুব সহজ করা'টা
একরকম নেশা
যা সাধারণতঃ
বৈজ্ঞানিকদের থেকে থাকে
আমার সীমিত জ্ঞানের পরিধি'তে তাই বুঝেছি !
এক অনতিক্রম্য দূরত্ব
অনেকটা দুটি সমান্তরাল সরলরেখা'র মতো
যেভাবে দিগন্ত ও মোহনা কোনোদিন এক হয়না
তেমনি এক সম্পর্ক একটা মানুষের থেকে অন্য মানুষের !
বন্ধন বলতে বলা যায় অনেক কথা
যত না গড়া তার থেকে অনেক বেশি ভাঙা
একাকী প্রতিটি মানুষ
অঞ্জন দত্ত অন্ততঃ তাই বলেছেন
"চারটে দেওয়াল মানেই নয় তো ঘর
নিজের ঘরেও কত মানুষ পর ......"
বন্ধনের প্রথম ভাঙ্গন দেখি
তখন আমি ৯
বাবা-মা আলাদা হলো
আমরা মামাবাড়ি ফেরা মাত্র
দিদা'র মৃত্যু
দাদু'র পক্ষাঘাত দিদা'র মৃত্যু পরবর্তী !
অসন্তোষ ;অসহিষ্ণুতা ;অক্ষমতা
কথাগুলো এক সময় জীবনের অঙ্গাঙ্গী হয়ে উঠেছিলো
বড় হওয়ার নেশা সেই থেকে পায় আমাকে !
তবে যে বন্ধনের অস্বীকৃতি
সব থেকে বেশি দাগ কেটেছিলো শিশু মনে
তা ছিলো বড়ো মামা যখন
ভাই ফোটা নিতে অস্বীকার করলো
মা'র কাছে
পুরুষতন্ত্রের প্রত্যয় সেই প্রথম আবিষ্কার !-২৭.০২.২০১৯
(জীবনী - ৫৮)
No comments:
Post a Comment